নির্বাচনের আগে দেশে সহিংসতা বাড়ার শঙ্কা, তৎপর সরকার
প্রকাশ : ১৮-১২-২০২৫ ১১:৪০
ছবি : সংগৃহীত
রায়হান উল্লাহ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোট সামনে রেখে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তফসিল ঘোষণার পর দিন রাজধানীতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়া, বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা, বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় নির্বাচন-পূর্ব নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎপরতার কথা জানালেও বিশেষজ্ঞরা আরো দৃশ্যমান ও কঠোর পদক্ষেপের তাগিদ দিচ্ছেন। রাজধানীর প্রবেশপথে ১১টি চেকপোস্ট স্থাপন, দেশজুড়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ শুরু, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান এবং রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা জোরদারে নীতিমালা জারির মাধ্যমে সরকার নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিতের চেষ্টা করছে। তবে এসব উদ্যোগের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ‘নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই’ বক্তব্য, সহিংস ঘটনার ধারাবাহিকতা এবং বিপুল পরিমাণ লুট হওয়া অস্ত্র ও পলাতক বন্দিদের বাস্তবতা আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল ঘোষণার পর গত শুক্রবার শরিফ ওসমান বিন হাদি রাজধানীর বিজয়নগরে গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনার পর থেকেই নির্বাচনের আগে প্রার্থীসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে।
অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন সামনে রেখে চোরাগোপ্তা হামলা, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও নাশকতার আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে।
গত শনিবার রাতে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে দেশের সব বিভাগের (রেঞ্জ) ডিআইজি এবং মহানগর পুলিশের কমিশনারদের বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে আলোচনা এবং করণীয় নির্ধারণের বিষয়ে পরামর্শ এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন হাল। নির্বাচনের ট্রেন চলা শুরু হলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাবাচ্ছে সবাইকে। পরিস্থিতি ঠিক করতে এখনই দৃশ্যমান ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
অবশ্য সরকার বলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে কাজ করছে সরকার। নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও সশস্ত্র রক্ষী (রিটেইনার) নিয়োগে একটি নীতিমালা জারি করেছে সরকার। গত সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৫’ শিরোনামে এটি প্রকাশ করা হয়।
এদিকে নিরাপত্তাশঙ্কা ও ব্যক্তিগত কারণের কথা উল্লেখ করে নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনে বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী ব্যবসায়ী ও ক্রীড়া সংগঠক মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
গত সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়নি। একটু মাঝেমধ্যে দু-একটা খুনখারাবি হয়। হাদিকে গুলির ঘটনা বিচ্ছিন্ন। নির্বাচন এলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকে।
তার এ মন্তব্য ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। হাদির ঘটনা বিচ্ছিন্ন বলায় সমালোচনা হয় বিভিন্ন দলের নেতৃস্থানীয় পর্যায় থেকে। পরে এ কথার ব্যাখ্যাও দেয় ইসি।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
দেশে চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, কে নির্বাচন করবেন, আর কে করবেন না, এটা একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।
রাজধানীর প্রবেশপথগুলোয় ১১টি ‘চেকপোস্ট’ বসিয়েছে পুলিশ
নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানীর প্রবেশপথগুলোয় ১১টি স্থানে চেকপোস্ট (নিরাপত্তাচৌকি) বসিয়ে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
বুধবার বিকাল থেকে এই তল্লাশি চলছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এতে বলা হয়, ঢাকা মহানগরের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তাচৌকি বসিয়ে তল্লাশি বেগবান করা হয়েছে।
চেকপোস্ট বসানোর কারণ তুলে ধরে ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।
পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপির এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার লক্ষীকুণ্ডা ইউনিয়নের কামালপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান জানান।
নিহত ৬৫ বছর বয়সী বীরু মোল্লা ওই এলাকার আবুল মোল্লার ছেলে। তিনি লক্ষীকুণ্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযোগের মুখে থাকা জহুরুল মোল্লা (৫৫) ওই এলাকার ইসলাম মোল্লার ছেলে ও নিহত বীরুর চাচাতো ভাই।
এদিকে আইনশঙ্খলা বিষয়ে পুলিশ ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন একাধিক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন বানচাল করতে চায় এমন গোষ্ঠী চোরাগোপ্তা হামলা ও নাশকতার মাধ্যমে ভীতি তৈরির চেষ্টা করবে; যার একটা অন্যতম লক্ষ্য নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটানো ও ভোটার উপস্থিতি কমানো।
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ চলছে
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ফ্যাসিস্টদের দমনে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী।
এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় অভিযান চালিয়ে এক হাজার ৯২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে বিভিন্ন মামলা ও ওয়ারেন্টে ৫২৩ জন। অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ ২-তে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক হাজার ৩৯৮ জন। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে পেশাদার সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য মাঠপর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচনকেন্দ্রিক সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। এই নিরাপত্তাব্যবস্থায় জুলাই অভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকার কারণে যারা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন, তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলোতে আওয়ামী লীগের শাসনামলে যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছে অস্ত্রের মজুত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি করেছে এমন চিহ্নিত ব্যক্তিদের ধরতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া পেশাদার সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে প্রচেষ্টা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, অবৈধ অস্ত্রের রুটগুলো চিহ্নিত করা এবং অর্থের জোগানদাতাদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
এসবের পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্রগুলো উদ্ধারে জোর দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন করে দেশে অস্ত্র প্রবেশের আশঙ্কার পাশাপাশি লুট হওয়া অস্ত্রগুলো কোনো অপরাধে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, সেটিও বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পুলিশের পক্ষ থেকে যা যা করা দরকার, আমরা করব। মাঠপর্যায়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
সাবেক আইজিপি মুহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন, কোথায় কোথায় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও শত্রুতা বেশি, কোথায় শক্ত প্রার্থী রয়েছেন- এসব জায়গায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এমন ঘটনা যেকোনোভাবেই প্রতিরোধ করতে হবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আল মাসুদ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘সুষ্ঠু-অবাধ নির্বাচনের পূর্বশর্ত হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা। কিন্তু আমরা দেখলাম, তফসিল ঘোষণার পরই রাজনৈতিক সহিংসতা ঘটছে। একে অশনিসংকেত হিসেবে দেখছি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, ‘চব্বিশের অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের এত বড় বিপর্যয় আর কখনো ঘটেনি। কিন্তু সেখান থেকে এই দেড় বছরেও পুলিশ বাহিনী সেভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণের যথেষ্ট ঘাটতি দেখা গেছে। এ রকম দুর্বল অবস্থার মাঝেও পুলিশ যা করেছে তা সন্তোষজনক। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের মতো আয়োজনে শুধু পুলিশের ওপর ভরসা করার সুযোগ নেই। তবু এখানে সামরিক বাহিনী মোতায়েন থাকছে, বিজিবি থাকছে। সরকার বা রাষ্ট্রকে এখন তাদের দায়িত্ব পালনের বিষয়টা বুঝতে হবে। এখানে সক্ষমতা প্রদর্শনের বিষয়টিও জরুরি।
সামাজিক অপরাধ বিশেষজ্ঞ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, ‘যে প্রেক্ষাপটে এবারের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, তাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক বা নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কারা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন কারাগার থেকে মোট দুই হাজার ২৫০ বন্দি পালিয়ে যান। তাদের মধ্যে পরে আত্মসমর্পণ এবং গ্রেপ্তার হয়েছেন এক হাজার ৫৫০ জন। এখন পর্যন্ত পলাতক রয়েছেন আরও ৭০০ জন। এদের মধ্যে প্রায় ১০০-এর মতো রয়েছেন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি বা কয়েদি। বাকিরা হত্যা, মাদক, সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন মামলায় হাজতি হিসেবে কারাগারে ছিলেন।
অন্যদিকে পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি ও স্থাপনায় হামলা চালায় বিক্ষুব্ধরা। এ সময় পুলিশের পাঁচ হাজার ৭৬৩টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়। লুট হওয়া এসব অস্ত্রের মধ্যে গত ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চার হাজার ৪২৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। সে হিসাবে বাকি এক হাজার ৩৪০টি আগ্নেয়াস্ত্রের এখনো হদিস নেই।
পিপলসনিউজ/আরইউ
-- বিজ্ঞাপন --
CONTACT
ads@peoplenewsbd.com