weather ৩০.১৯ o সে. আদ্রতা ৭৩% , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদ নির্বাচন : সরে দাঁড়ালেন ৩০৫ জন, চূড়ান্ত লড়াইয়ে ১৯৬৭ প্রার্থী

প্রকাশ : ২১-০১-২০২৬ ১১:৪৯

ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনে চূড়ান্ত লড়াইয়ে থাকছেন এক হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে।

বুধবার (২১ জানূয়ারি) প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামবেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, এবারের নির্বাচনে ২৯৮টি আসনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। অধিকাংশ প্রার্থী দলীয় হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন শতাধিক। এর আগে ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা ছিলিএক হাজার ৮৯৬ জন। সেই তুলনায় এবার প্রার্থীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে আদালতের নির্দেশনায় নতুন তফসিল হওয়ায় ওই দুই আসনের হিসাব আপাতত এই তালিকার বাইরে রয়েছে।

এর আগে, গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩০০ আসনে মোট দুই হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাছাই শেষে ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বাতিলের বিরুদ্ধে ৬৪৫ জন আপিল করেন, যার মধ্যে শুনানি শেষে ৪৩১ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান।

বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৬০টি। এর মধ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত আছে। দলটি এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না।

এর বাইরে নিবন্ধিত আটটি দল নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। দলগুলো হলো বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, তরিকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয়বাদী আন্দোলন (বিএনএম)।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ছিল বিতর্কিত। ওই নির্বাচনে ২৮টি দল অংশ নিয়েছিল। তখন ইসিতে নিবন্ধিত দল ছিল ৪৪টি। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন এক হাজার ৯৬৯ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ছিলেন এক হাজার ৫৩৩ জন, স্বতন্ত্র ছিলেন ৪৩৬ জন।

এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি দলের সব কটি অংশ নিয়েছিল। তবে সে নির্বাচনও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ওই নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন এক হাজার ৮৬১ জন।

তার আগে ২০১৪ সালের নির্বাচন ছিল একতরফা। সেবার ১৫৩টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছিলেন। যে ১৪৭টি আসনে ভোট হয়েছিল সেখানে প্রার্থী ছিলেন ৩৯০ জন।

এর আগে ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৮টি দলের সবগুলো অংশ নিয়েছিল। সেবার মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন এক হাজার ৫৬৭ জন।

পিপলসনিউজ/আরইউ

-- বিজ্ঞাপন --


CONTACT

ads@peoplenewsbd.com

প্রধানমন্ত্রী : অস্থিতিশীলতা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাজেটের বিরোধিতা করছে বিরোধী দল প্রধানমন্ত্রী : অস্থিতিশীলতা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাজেটের বিরোধিতা করছে বিরোধী দল কুড়িলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে গ্রেপ্তার ১৪ জন কুড়িলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে গ্রেপ্তার ১৪ জন বাজেট বাস্তবায়ন পরিকল্পনায় অস্পষ্টতা দেখছেন আনিসুল ইসলাম বাজেট বাস্তবায়ন পরিকল্পনায় অস্পষ্টতা দেখছেন আনিসুল ইসলাম অপহরণের ‘নাটক’সাজানো শিবির নেতা ধর্ষণ মামলার আসামি, ছিলেন আত্মগোপনে : পুলিশ অপহরণের ‘নাটক’সাজানো শিবির নেতা ধর্ষণ মামলার আসামি, ছিলেন আত্মগোপনে : পুলিশ সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে একটি করে গাছ লাগান প্রধানমন্ত্রী সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে একটি করে গাছ লাগান প্রধানমন্ত্রী